স্বাস্থ্য

বৈরী গরমে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশুরোগ

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: চলছে বৈরী আবহাওয়া। কখনও তীব্র রোদ, গরম আবার কখনও বৈশাখী ঝড়ে ঠাণ্ডা আবেশ। ঠাণ্ডা-গরম যাই থাকুক না কেনো আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণটা সবসময় থাকছে বেশি। যে কারণে অতি অল্পতেই ঘাম ছাড়াও বৈরী পরিবেশের কারণে গলা শুকিয়ে তেষ্টা বাড়িয়ে দিচ্ছে রাজধানীবাসীর।
বাইরে চলাফেরার সময় এই গরমে আমরা শান্তির আশায় রাস্তা থেকে জারের পানি (যা ফিল্টার করা বলে পরিচিত) বা ওই পানি দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পানীয় পান করে থাকি। যা শুধু বড়রাই নয়, পান করানো হয় শিশুদেরও। তবে এ ছাড়াও ওয়াসার অবিশুদ্ধ পানি বাসায় বসে পান করার ফলেও ডায়রিয়ার হার বেড়ে গেছে বলে জানান আইসিডিডিআরবি’র চিকিৎসকরা।
দেশের ডায়রিয়া চিকিৎসার জন্য অন্যতম মহাখালীর ইন্টারন্যশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়া রিসার্চ অব বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের ঢল। গত ৩ মে ৯৮২ জন, ৪ মে ৯৪৮ জন, ৫ মে ৮৭২ জন ও ৬ মে বিকাল পর্যন্ত ৫০০ জন ডায়রিয়ার আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগী ভর্তি হয়েছে। এর আগে ২০ এপ্রিলের পর থেকে ৭০০ থেকে ৭৫০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছিলো।
আইসিডিডিআরবিসূত্রে জানা যায়, এ হাসপাতালে সাধারণত বৈরী গরমে সাড়ে তিনশ রোগী ভর্তি হয়। এবারই সর্বোচ্চ পরিমাণ রোগী ভর্তি হয়েছে যা আইসিডিডিআরবি’র জন্য রেকর্ড। যে কারণে হাসপাতালের ওয়ার্ডের বাইরেও আলাদা তাবু খাটিয়ে রোগীদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর এখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে অল্প কয়েকজন হলেও কলেরা রোগীও পাওয়া যাচ্ছে। আর এদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।