১৩ শতাংশ শিশু-কিশোর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: প্রতিদিন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি শিশু প্রথমবারের মতো অনলাইন ব্যবহার করছে। প্রতি আধা সেকেন্ডে একটি শিশু অনলাইন দুনিয়ায় প্রবেশ করছে এবং এতে দেশের ১৩ শতাংশ শিশু-কিশোর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার হচ্ছে। একাধিকবার হয়রানির শিকার হচ্ছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। হয়রানির কারণে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিচ্ছে বলে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ) এর গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
সারাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একটা বড় অংশ ১৮ বছরের নিচে বা শিশু-কিশোর। তারা একদিকে যেমন ডিজিটাল জগতে প্রবেশের সুবিধা পাচ্ছে এবং শিশুদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করছে, ঠিক তেমনি ঝুঁকিও বাড়ছে। 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে ‘শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে এ জরিপ প্রকাশিত হয়। ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ফেসবুক যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শিশুরা ট্যাব ব্যবহার করবে, ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, এটাই আমরা চাই। ওরা নিরাপদভাবে ব্যবহার করবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্ঞানের ভাণ্ডার হিসেবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে। ঝুঁকির মধ্যে যাতে কেউ না পড়ে,  সে জন্য মা-বাবাকে সচেতন হতে হবে।
 বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সিনিয়র সহকারী পরিচালক শামসুজ্জোহা বলেন, ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ পাওয়ার অধিকার আছে। শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট দিতে গাইডলাইন স্মার্টভাবে দিতে হবে।
 ফেসবুকের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার পলিসি প্রোগ্রাম ম্যানেজার শ্রুতি মগি বলেন, অনলাইনে শিশুর নিরাপত্তার বিষয়টি বেশ সংকটপূর্ণ। শিশুদের কথা বলতে হবে অভিভাবকদের সঙ্গে। ওদের জন্য একটা নিরাপদ কমিউনিটি গড়ে তুলতে হবে।