পড়াশুনা

ছয়টি কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন : সতর্ক করা সত্ত্বেও অবৈধ ও অননুমোদিত বিলবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও ওভারহেড সাইনবোর্ড অপসারণ না করায় ফার্মগেটের ছয়টি কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
এই কোচিং সেন্টারগুলো হলো ইউনিভার্সিটি কোচিং সেন্টার (ইউসিসি), ইউনিএইড, আইকন, আইকন প্লাস, ওমেগা ও প্যারাগন কোচিং সেন্টার।
আজ মঙ্গলবার সিটি করপোরেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবৈধভাবে পোস্টার লাগানোর বিষয়ে এই কোচিং সেন্টারগুলোকে এর আগে সতর্ক করা হয়েছিল। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেয়াল লিখন ও পোস্টার নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এরপরও সংশোধন না হওয়ায় সিটি করপোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস ১৯৮৬ অনুযায়ী এই কোচিং সেন্টারগুলোর ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হয়।
ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, এই কোচিং সেন্টারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই দেয়াললিখন ও পোস্টার নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করে নিজেদের প্রচারণার জন্য অনুমোদন ছাড়াই যত্রতত্র পোস্টার ও লিফলেট সাঁটানো, ব্যানার এবং সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আসছিল। এর আগে এগুলো অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একাধিকবার কোচিং সেন্টারগুলোর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছে।
তিনি বলেন, সভা করে এদের সতর্কও করা হয়েছে। এর পরেও কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ ডিএনসিসির অনুরোধে কান দেয়নি।
তিনি জানান, মাসখানেক আগে এসব কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বিষয়টি তখন সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়নি।
সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। আর ঢাকায় এই লাইসেন্স দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষা ও চাকরিতে নিয়োগের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢাকায় কতগুলো কোচিং সেন্টার ব্যবসা করছে, তার মধ্যে কতগুলোর অনুমোদন রয়েছে- সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কোচিং সেন্টারগুলোর জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে। ইউসিসির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ নিয়ে কয়েক বছর আগে তদন্তও হয়েছে।
যেসব শিক্ষক অবৈধভাবে কোচিং করিয়ে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং কোচিং সেন্টারের মালিকদের অবৈধ সম্পদ খতিয়ে দেখারও ঘোষণা দিয়েছে দুদক।