কবিতা

অগ্নিঝরা মহাকাব্য

অগ্নিঝরা মহাকাব্য
নাবিলা দিয়া

মহাকাব্য লিখব
বৃহৎ, অতি বৃহৎ
অনন্ত থেকে শুরু করে অত্যন্ত ,
ইতিহাসের মতন করে
ভাবনার অতল গভীর হতে
এক মহাকাব্য
বৃহৎ, অতি বৃহৎ।

বিভীষিকা দেখেছ?
আলোর ঝলকানির মতন ,
তবে তা আলো নয় ,
অগ্নী ।
হ্যাঁ , অগ্নীশিখা ,
কালো কেশ এলো করে
বসে থাকা এক নারী ।

অনল ,
অনল তো তার চোখেই
সব কিছু গ্রাস করে ফেলবে
মুহুর্তেই , নিমিষেই
কেন খেপাও তারে?
তার মায়াময় মুর্তি
তার স্নিগ্ধ কোমল হাসি ,
তা কি তোমাদের ভালো লাগে না?
তাহলে?
হিংস্রতা কেন জাগাও তোমার মাঝে
লংঘিত কেন সীমা তোমাদের?
সেও তো তাহলে  ভাংবে,
অনল চোখে চাহিবে ,
হৃদয় যে তার ভগ্ন
মানবতা যে আজ লজ্জিত ।

সে জ্বলবে ,মহাকাব্য হবে
তার অনলমুর্তি গঠিত হবে
তার অশ্রু ধারালো অস্ত্র হবে ,
তাকে কেন উত্তপ্ত করিলে?
সেও তবে উত্তপ্ত নয়নে চাহিবে
তার উত্তাপে তোমাদের তাপাবে ।

থামো ,এবার থামো
তার তাপ তোমাদের সইবে না ।
জ্বলন্ত মশালে
জ্বলবে তোমাদের জড় দেহ
দাবানলে কাপিবে ঘৃণ্য আত্মা ।

মহাকাব্য লিখব
বৃহৎ, অতি বৃহৎ
নারী তুমি অগ্নিলা
অনল শিখায় বর্ণিলা ,
তোমার প্রতিশোধ
তোমার উত্তাপ ,
মানবতার অপরাধে
তোমার প্রতিঘাত ,
এক অগ্নিঝরা কাব্য
আমার লিখা মহাকাব্য ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *