কিশোরবাংলাপ্রতিবেদন: বাংলাদেশে শিশুদের বিনোদনের অধিকারসহ মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জাতীয় শিশুনীতি, ২০১১ বাংলাদেশের শিশুদের বর্তমান ও ভবিষ্যত বিনির্মাণে একটি সুদূরপ্রসারী রূপকল্প। এ নীতির ৬ ধারায় শিশুর বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে শিশুর জন্য মানসম্পন্ন বিনোদন, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য খেলার মাঠ, খেলার সরঞ্জাম রাখা, এলাকাভিত্তিক শিশু পার্ক স্থাপন এবং নগর পরিকল্পনায় আবশ্যিকভাবে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
দুর্যোগকালীন সময় এবং তার পরবর্তীতে আশ্রয়কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বিনোদন ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে বিনোদনমূলক কার্যক্রমের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং লাইব্রেরি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য তাদের উপযোগী বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে।
আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত-এ কথাটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে স্বীকৃত। অনেক সময় অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের চাপে শিশুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধিকার বিনোদনের ব্যাপারটি প্রায় উপেক্ষিত থাকছে। শহরজুড়ে শিশুদের পোশাক, খেলনার দোকান, পার্ক, স্কুল, গাননাচ শেখার কোচিং থাকলেও প্রকৃত বিনোদন নেই। শিশুর বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে খেলাধূলা। কিন্তু খেলার মাঠ বা বাড়ির সামনের উঠানের দেখা মেলে না সহজে। গ্রামের প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাঠ থাকলেও শহরে তেমন দেখা যায় না। আবার যেখানে মাঠ আছে সেখানেও অনেক ক্ষেত্রে খেলাধূলার সুযোগ নেই শিশুদের।