কিশোরবাংলাপ্রতিবেদন: পেটে ব্যথা মানেই কৃমি নয়। দাঁত কটমট করা, লালা পড়া ইত্যাদি হলেই যে কৃমি হবে, তাও নয়। পেটের ব্যথার যেমন বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। শরীর থেকে শোষণ করে নেয় পুষ্টি উপাদান। এছাড়া পেটের ব্যথা, খাদ্যে অরুচি, পাতলা পায়খানা, বমি বমি ভাব, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি নানা সমস্যা তৈরি করে। অনেক সময় মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে গোল, ফিতা ও গুঁড়া কৃমির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। কখনো কখনো গোলকৃমি শিশুর নাক-মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এটি শিশুর শ্বাসনালীতেও প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া এটি শিশুর অন্ত্রে বা পিত্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। ফিতা কৃমি শিশুর অন্ত্রে লেগে থেকে রক্তপাত ঘটায়। এতে শিশু ধীরে ধীরে রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। পায়খানার রাস্তায় চুলকানির জন্য গুঁড়া কৃমি দায়ী।
কৃমির দীর্ঘ মেয়াদী সংক্রমণের ফলে শিশুর খাদ্যে অরুচি হয় এবং সে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়।
শিশুদের পেটে কৃমির সংক্রমণের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
– শিশুর খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেওয়া।
– আয়রনের ঘাটতি ও রক্তশূন্যতার জন্য দুর্বলতা।
– শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া।
– অপুষ্টিতে ভোগা।
– পেট ফাঁপা।
– ডায়রিয়া।
– কৃমির কারণে অ্যালার্জি, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, কফ-কাশি হতে পারে।