কিশোরবাংলাপ্রতিবেদন: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর ভাষার বিকাশ শুরু মাতৃগর্ভ থেকে। তখন থেকেই শব্দের প্রতি সচেতন হয়। এ সময় উচ্চারণ করতে না পারলেও বাবা-মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পায় ও বুঝতে চেষ্টা করে এবং শব্দভান্ডারে শব্দ সঞ্চয় করতে থাকে। তাই গর্ভাবস্থা থেকেই শিশুকে উদ্দেশ করে কথা বলুন এবং জন্মের পর থেকেই তা বাড়িয়ে দিন। এ সময় শিশু কিছু উচ্চারণ করতে না পারলেও বাবা-মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পায় ও বুঝতে চেষ্টা করে। তখন থেকেই নতুন শব্দ খোঁজে সে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু তার চারপাশের মানুষের মুখের কথা শুনে তা থেকে পাওয়া নতুন শব্দগুলো মস্তিষ্কে জমাতে শুরু করে। কারণ জন্মের পর শিশুর মস্তিষ্ক শূন্য থাকে। সে শূন্যস্থান পূরণের জন্য খুব দ্রুত নতুন জিনিসগুলো আত্মস্থ করে ফেলে। এভাবেই একসময় তাদের শব্দভান্ডার বৃদ্ধি পেলে তারা কথা বলা শুরু করে।
বেশি বেশি কথা বলুন
শিশুর সঙ্গে যত বেশি কথা বলা যায়, তত দ্রুত সে কথা বলতে শেখে। বুঝতে পারুক বা না পারুক, শিশুর সঙ্গে প্রচুর কথা বলুন। শিশুটি ছোট্ট কথা বুঝবে না- এটা ভেবে কথা না বলা ঠিক নয়। সে কথা বুঝতে পারুক আর না পারুক, শিশুর সঙ্গে প্রচুর কথা বলুন।
গল্পের বই পড়ে শোনান
গল্পের বই শিশুর জন্য বরাবরই আকর্ষণের বিষয়। শুদ্ধ উচ্চারণ শেখাতে বই পড়ে শোনানো খুব কার্যকর একটি মাধ্যম। গল্প, ছড়া, কবিতাসহ বিভিন্ন ধরনের শিশুতোষ বই পড়ে শোনান শিশুকে। শিশু তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনবে এবং মনে গেঁথে রাখবে। এতে একদিকে শিশু যেমন শুদ্ধ উচ্চারণ ও বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গি শিখতে পারে, অন্যদিকে সমৃদ্ধ হয় শিশুর শব্দভান্ডারও।
ভাষা প্রয়োগে সতর্ক হোন
শিশুদের সামনে যা কথা বলা হয়, তা-ই তারা শিখে ফেলে। তাই ওদের সামনে ভাষা প্রয়োগে সতর্ক থাকতে হবে। কখনোই বাজে শব্দ ব্যবহার করবেন না।