কিশোর চিন্তা

শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দে জোর স্পিকারের

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: সার্কভুক্ত দেশগুলোতে শিশুদের সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের উপর জোর দিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এবিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংসদদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শিরীন শারমিন বলেন, সংসদেই যেহেতু বাজেট পাশ হয়, সেক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আর শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে বাজেট অত্যন্ত জরুরি। কারণ রিসোর্স ছাড়া কাজ করা কঠিন।
“শিশুদের উন্নয়নে সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারেন।”
সোনারগাঁ হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত সাউথ এশিয়া পার্লামেন্টারি প্লাটফর্ম ফর চিলড্রেনের দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্পিকার দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের উন্নয়নে শিশুশ্রম বন্ধের উপর জোর দেন।
সম্মেলনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে শিশু পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ, শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন বলে জানান তিনি।
“তাদের আলোচনার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ বের হয়ে আসবে। যেগুলোর মাধ্যমে আগামীতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সংসদ সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।”
দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংসদদের সামনে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন স্পিকার।
“দরিদ্র শিশুদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, বিনামূল্যে বই বিতরণ ও মেয়ে শিশুদের উপবৃত্তি প্রদানের ফলে দেশে ঝরে পড়া শিশুদের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।”
এবিষয়ে শিশু দারিদ্র্য হ্রাসে বাংলাদেশ সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে চলমান একটি প্রকল্পের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিরীন শারমিন বলেন, আমরা দেখেছি যে, দরিদ্র শিশুরা প্রতি মাসে তার পরিবারে ১৫০০ টাকা করে কন্ট্রিবিউট করতে পারে। তাদের স্কুলে পাঠানোর জন্য আমরা তাদের পরিবারকে ১৫০০ বা ১০০০ টাকা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের  স্কুলগামী করতে পারি। এক্ষেত্রে স্কুলে তাদের উপস্থিতি মনিটরিং করা হবে। স্কুলে না গেলে তাদের ইনসেনটিভ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”
স্পিকার বলেন, “আমরা জাতীয় বাজেটে শিশুদের জন্য বিশেষ প্রভিশন করছি। শিশু বাজেটের মধ্য দিয়ে প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় তাদের কাজগুলো আরও ভালভাবে করতে পারবে।”