কিশোর সংবাদ

তারুণ্যের প্লাটফর্ম সোস্যাল সার্ভিস ক্লাব

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: একদল তরুণ সবসময় ভাবতেন কিছু করতে হবে। সামাজিক উন্নয়নে  অংশ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে একটি প্লাটফর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন ইশতিয়াক আহমেদ ও মেহেদী শামীম। শুরুটা ছিল ২০১২ সালে।
সেবারই প্রথম পথশিশুদের জন্য ঈদের জামা কেনা প্রকল্প এবং বাস ভাড়া করে আনন্দ ভ্রমণে নিয়ে যাবার পরিকল্পনা করেন। যেহেতু দুই বন্ধুর বাড়িই মাদারীপুর তাই সেখানেই সমবেত হন আরও আগ্রহী বন্ধুরা।
আর তখনই ঘোষণা হয় মাদারীপুর সোস্যাল সার্ভিস ক্লাব-এর। ট্যাগলাইনও ঠিক করলেন তারা-‘বিল্ড সোস্যাল রিলেশনশীপ, ষ্টে এলাইভ”।
সে বছর প্রজেক্ট নতুন জামার স্লোগান নিয়ে ২৪ জন শিশুর জন্য জামা কেনেন তারা। তবে সেই প্রজেক্ট নতুন জামা এক ঈদে সীমাবদ্ধ থাকেনি। প্রতি বছর, প্রতি ঈদেই চলেছে। পরের কোরবারি ঈদে ৪০জন শিশুকে নতুন জামা দেয় সংগঠনটি। সে বছরই ‘প্রজেক্ট উষ্ণতা’ ব্যানারে শীতের কাপড় বন্টন করেন।
এতো গেল এক কাজ, এবার উদ্যোগ হলো স্কুলগামী দরিদ্র শিশুদের জন্য।  ২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারিতে মাদারীপুর সদরের রাস্তি ইউনিয়নের ৫টি বিদ্যালয়ের ১০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে নতুন ব্যাগ তুলে দেয় সংগঠনটি।  নাম হয় ‘প্রজেক্ট স্কুলিং’।
এভাবেই চলতে থাকে এমএসএসসি পথচলা। এখন পর্যন্ত এমএসএসসি ‘প্রজেক্ট নতুন জামা’র ৮টি পর্ব, ‘প্রজেক্ট উষ্ণতা’র ৪টি পর্ব এবং ‘প্রজেক্ট স্কুলিং’ এর ৪টি পর্ব শেষ করেছে। বর্তমানে  এমএসএসসি নাটোরে ‘হ্যাপি নাটোর’ নামক আরেকটি সংগঠনকে সহায়তা করছে।