বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ই-অ্যাটেনডেন্স পদ্ধতিতে হাজিরা দেয় শিক্ষার্থীরা

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: ই-অ্যাটেনডেন্স পদ্ধতিতেই এখন হাজিরা দেয় রূপসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকরাও একই পদ্ধতিতে হাজিরা দেয়। এতে করে সঠিক সময়ে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী স্কুলে আগমন ও প্রস্থান উভয়ই নিরুপণ করা সহজতর হয়েছে।
আবার পাঠদান শেষ হলে ছুটির ঘন্টা বাজলে কার্ড পাঞ্চ করে প্রস্থান নিশ্চিত করা হয়। গ্রামীণ বিদ্যালয়গুলোতেও এখন ই-অ্যাটেনডেন্স পদ্ধতিতে উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। শুধু তাই নয়, আপনার সন্তান কী স্কুলে সঠিক সময় পৌঁছেছে কিনা তাও নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
স্কুলে ফাঁকি দিলেও তা বের করা যাচ্ছে খুবই সহজে। ইলেট্রনিক ডিভাইজের মাধ্যমে হাজিরা বা উপস্থিতির প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যাচ্ছে। ডিভাইজ সিস্টেমের কারণে বিদ্যালয় চলাকালীন অভিভাবকরা থাকছেন চিন্তামুক্ত।
স্কুলে গিয়ে তথ্য নিলেই জানা যাবে আপনার সন্তান কখন বিদ্যালয়ে আসে আবার কখন বিদ্যালয় থেকে চলে যায়। বিদ্যালয়ের শ্রেণি শিক্ষকের হাজিরা সংক্রান্ত যে ঝুট-ঝামেলা ছিলো তা থেকেও পরিত্রাণ মিলেছে। শ্রেণিশিক্ষক নাম ডাকার নামে যে বাড়তি সময়ের অপচয় তা থেকে রক্ষা পাচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানের সহযোগিতা ও স্কুল ফান্ডের অর্থ খরচ করে ডিভাইজ গুলো স্কুলে হাজিরা নিশ্চিত করায় স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া শ্রেণিকক্ষ গুলোও সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।
এতে করে আমাদের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও প্রস্থান উভয় বিষয়ই গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে। অভিভাবকরাও নিশ্চিন্ত থাকতে পারছে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে। তাছাড়া শিক্ষকরা ঠিক মত পাঠদান করাচ্ছে কিনা তাও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সনাক্ত করা যাচ্ছে।