স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও কেন শিশু অধিকার নিয়ে বলতে হবে

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: দেশে শিশু নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ এবং শিশু অধিকার আইনের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে এক সেমিনারে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশে শিশুর সংস্কৃতির সঙ্কট ও উত্তরণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নানা পরামর্শও দিয়েছেন বক্তারা।
কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর আয়োজিত সেমিনারে যোগ দিয়ে অধিকারকর্মীরা জানান বিভিন্ন দাবি।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।  মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক সেলু বাসিত।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী সেমিনারে নানা আলোচনার প্রেক্ষিতে বলেন, “স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও কেন শিশু অধিকার নিয়ে কথা বলতে হবে।”
দেশব্যাপী শিশু নিপীড়ন, ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অধিকারকর্মীদের মতো তিনিও আতঙ্কিত জানিয়ে বলেন, “বারবার রাষ্ট্রীয় নীতি পরিবর্তনের কারণে সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দিয়েছে।  আজকের প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার কতটুকু সুনিশ্চিত, তা নিয়ে আমাদের আত্মজিজ্ঞাসার প্রয়োজন রয়েছে।”
২০১৩ সালে প্রণীত শিশু অধিকার আইনের উদাহরণ টেনে বলেন, “এই আইন বাস্তবায়ন হলেই শুধু হবে না, এই আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নও হতে হবে। শিশুদের অধিকার নিয়ে যখন সঙ্কটের কথা বলছি, তখন এই আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের দায়িত্ব গোটা সমাজের। এটা শুধু সরকারের একার কাজ নয়।”
উন্নয়নশীল দেশের পথে অগ্রযাত্রায় শিশু অধিকারের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।