শিশু দিবসে ছোটদের পাঁচ বলিউড ছবি

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: বলা হয় শৈশবকাল জীবনের সবচেয়ে মধুর সময়। কিন্তু চাইলেই তো আর কেউ আর শৈশবে ফিরে যেতে পারে না। শৈশবের স্মৃতি রোমন্থনের অন্যতম একটি উপায় শিশুভিত্তিক চলচ্চিত্রগুলোর মাঝে নিজের শৈশবকে খুঁজে নেয়া। বিশ্ব শিশু দিবসে ডিএনএ ইন্ডিয়ার সৌজন্যে থাকছে এমন পাঁচটি বলিউড চলচ্চিত্র বা ছবি যার যেখানে চাইলেই শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ানো যাবে। 
তারে জামিন পার
অভিনেতা হিসেবে আমিরের সুখ্যাতি ছিল আগে থেকেই। পরিচালক হিসেবে তিনি কেমন তা প্রমাণের মঞ্চ ছিল ‘তারে জমিন পার’। যেখানে দেখানো হয় কীভাবে একজন ডিসলেক্সিয়াতে (পড়াশোনা করতে এবং বুঝতে অসুবিধা) আক্রান্ত শিশু পড়াশোনার চাপ সামলাতে গিয়ে নিজের প্রতিভাকে বিসর্জন দিচ্ছে। ছবিটি শুধু এ ধরনের বাচ্চাদের প্রতি বিশেষ যত্নের দিকেই ইঙ্গিত করার পাশাপাশি তথাকথিত শিক্ষাব্যবস্থাকে কটাক্ষ করেছে।
মাকদি
চিন্তা করুন শাবানা আজমীর মতো অভিনেত্রী ছবিটিতে অভিনয় করেছেন অথচ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন না। বরং শ্বেতা প্রসাদ নামের অখ্যাত এক শিশুশিল্পী অভিনয় করেছে কেন্দ্রীয় চরিত্রে। আর এ জন্যই ২০০৩ সালে ভারতের জাতীয় সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার পায় শ্বেতা। ছবিটির ‘ও পাঁপড়ওয়ালে’ গানটি দর্শকদের নিয়ে যাবে তাদের শৈশবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিশাল ভরদ্বাজ।
চিলার পার্টি
একদল ছোট শিশু যে সমাজে বড় একটি পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে, তার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণ ছবি চিলার পার্টি । এ ছাড়া প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসাও ফুটে উঠেছে ছবিটিতে। এটি পরিচালনা করেছেন নীতেশ তিওয়ারি এবং বিকাশ ভাল। প্রযোজনা করেছেন সালমান খান। আর ছবিটিতে আইটেম-বয় হিসেবে একটি গানে তাল মিলিয়েছেন রণবীর কাপুর।
স্ট্যানলি কা ডাব্বা
ছবিটির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অমল গুপ্তা। শিশুভিত্তিক ছবিতে শিক্ষক-ছাত্রের সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। যেখানে একজন শিক্ষক টিফিন টাইমে বিভিন্ন ছাত্রদের কাছ থেকে ঘুরে ঘুরে টিফিন খায়। আর ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র স্ট্যানলির আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে সে তার স্কুলে কোনো টিফিন নিয়ে আসতে পারে না। দূরত্ব তৈরি হয় শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কে।
দ্য ব্লু আমব্রেলা
ছবিটির কাহিনী নেওয়া হয়েছে রাসকিন বন্ডের ছোটগল্প দ্য ব্লু আমব্রেলা থেকে। ছবিটির নির্মাণ করেছেন বিশাল ভরদ্বাজ। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রেয়া শর্মা ও পঙ্কজ কাপুর। যেখানে ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র বিনিয়া একজন পর্যটকের কাছ থেকে নিজের মাটির নেকলেসের বিনিময়ে একটি নীল রঙের জাপানি ছাতা সংগ্রহ করে। কিন্তু গ্রামের দোকানি খাত্রি ছাতাটা নিজের বলে দাবি করে। এভাবেই এগিয়ে যায় ছবিটির কাহিনী।