শিশুকে পোষা প্রাণী কামড়ালে কী করবেন?

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: র‌্যাবিস নামক একধরনের আরএনএ ভাইরাসের মাধ্যমে র‌্যাবিস  বা জলাতঙ্ক হয়। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে বাড়ির পোষা বা পাড়ার কুকুর, বিড়াল, বানর, শূকর ও নানা প্রাণীর কামড় বা আঁচড় থেকে এ রোগের উৎপত্তি।
ছোট হওয়ায় কুকুর শিশুর শরীরের ওপরের অংশে কামড়ানোর সুযোগ বেশি পায়, যা বিপজ্জনক। স্নায়ুতন্ত্র বেয়ে সংক্রমণ দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়।
কুকুর বা পশুর কামড়ে ৩ সপ্তাহ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সাধারণভাবে রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। প্রথম দিকে গা ম্যাজম্যাজ ভাব, মাথাব্যথা, জ্বর, ক্ষতস্থানে অন্য রকম অনুভূতি হতে পারে। পরবর্তী সময়ে জলাতঙ্ক দেখা দেয়, খাবার গিলতে অসুবিধা হয়। শিশুর মৃত্যুও হতে পারে।
উপসর্গ শুরু হয়ে গেলে কোনো চিকিৎসাই কাজে আসে না। তাই প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের পর দ্রুত প্রতিরোধব্যবস্থা নেওয়াই একমাত্র পন্থা।
যেসব শিশু ঝুঁকিতে থাকে এবং যাদের ঘরে পোষা কুকুর আছে, তাদের অবশ্যই প্রতিরোধমূলক টিকা দেওয়া উচিত। ০, ৩, ২৮ দিনে মাংসপেশিতে এমন তিন ডোজ টিকা নিলে ভালো। এ ছাড়া ঘটনার পর অনতিবিলম্বে ভ্যাকসিন নিতে হবে। ক্ষতস্থান দ্রুততার সঙ্গে সাবান-জলে, পরে আয়োডিন দ্রবণে ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজন হলে ধনুষ্টঙ্কারের টিকাও দিতে হবে।