নিজেদের শিক্ষক ফেরত চেয়ে খুদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন:  ‘অনৈতিকভাবে’ সাময়িক পাঠদানের অনুমতি দেওয়া দুই শিক্ষককে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ফেরত দেওয়ার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস বর্জন করেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ে এসে ক্লাস বর্জন অব্যাহত রেখে বিক্ষোভ করছে তারা। শিক্ষকদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন ঘোষণা করে শিক্ষার্থী ও ম্যানেজিং কমিটি।
শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ২৪৬ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য আটজন শিক্ষক রয়েছেন। এরই মধ্যে গত বুধবার (২৯ আগস্ট) হঠাৎ ওই বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক মোসলেহা বেগমকে মহিষখোচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষক সেলিনা বেগমকে কুমড়িরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাময়িক পাঠদানের অনুমতি দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এ দুই শিক্ষক তাদের নিজের সুবিধার জন্য তদবির করে নিজ এলাকায় সাময়িক পাঠদানের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
এদিকে কিসামত চন্দ্রপুর সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পড়াশোনা বিঘ্ন ঘটেছে বলে অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা জরুরিভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
কিন্তু সেখানে সমাধান না হলে অভিভাবকরা পরদিন বিদ্যালয়ের ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দেন। সেই থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করছে খুদে শিক্ষার্থীরা।