সাহায্য
কিশোর বাংলা প্রতিবেদন:  স্কুলের পড়ার চাপ ছাড়াও শিশুদের প্রতিদিনকার রুটিনে একটি কঠিন অধ্যায় থাকে, যার নাম হোমওয়ার্ক। ভারী ব্যাগ নিয়ে সারাদিন ছুটোছুটি শেষে সন্ধ্যায় এই কাজটি থেকে দূরে পালানোর অনেক চেষ্টা করে ক্লান্ত শিশুরা। তবে বাবা-মা হিসেবে আপনার একটু সাহায্য তার ভার অনেকটাই লাঘব করতে পারে।
পরিকল্পনাতে সাহায্য করুন
বাড়ি ফিরে যত দ্রুত সম্ভব হোমওয়ার্ক শেষ করে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মনে রাখবেন, আপনার সন্তান যত বড় হবে তার পড়ার চাপ ততই বাড়বে। হোমওয়ার্ক ছাড়াও জমবে পরীক্ষার পড়া। তাই ছোট থেকেই যদি সে দ্রুত হোমওয়ার্ক করে ফেলার অভ্যাস করে, তাহলে ভবিষ্যতে দিশেহারা হতে হবে না।
রঙিন কাগজ দিয়ে সুন্দর একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করে টাঙ্গিয়ে রাখুন দেয়ালে, যেখানে লেখা থাকবে আপনার সন্তানের সাপ্তাহিক রুটিন। খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে হোমওয়ার্ক এবং খেলাধুলার সময়ও লিখুন।
একসঙ্গে সব নয়
বাচ্চাদের অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপর হোমওয়ার্ক থাকতে পারে, একসঙ্গে সবগুলো করতে গেলে মনে হবে পাহাড় সমান কাজ জমেছে! তখন হোমওয়ার্ক শেষ করতেও কষ্ট হয় শিশুদের। এক্ষেত্রে আপনি একটি তালিকা তৈরি করুন। একটি একটি করে হোমওয়ার্ক শেষ করতে বলুন সন্তানকে। যখন নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের উপর কাজ করবে, তখন সে অন্য বিষয়গুলো নিয়ে ভাববে না।
বিরতি দিন
স্কুল থেকে ফেরার পরপরই বাচ্চাকে হোমওয়ার্ক করতে বলা উচিৎ নয়। স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে আবারও হোমওয়ার্ক নিয়ে বসা তাদের জন্য ক্লান্তিকর এবং বিরক্তিকর হতে পারে। বিকেলের চা খাওয়া, একটু গল্পগুজব করা, খেলাধুলার পর তাকে হোমওয়ার্ক করতে বসান।
হোমওয়ার্ক শুধু পরীক্ষায় ভাল ফল করার জন্যেই কাজে লাগে না। শিশুকে ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কেও অনেক কিছু শেখায়। প্রাত্যহিক জীবনে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় আমাদের। কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে মানসিক চাপ সামলে কাজ করতে হয় ছোটবেলা থেকেই বাচ্চারা এসব শেখে হোমওয়ার্কের মাধ্যমে।