হোম / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের শিকার শিশুরা
প্রযুক্তি

প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের শিকার শিশুরা

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি আমাদের প্রধান সহায়ক। কিন্তু সেই সঙ্গে এই প্রযুক্তিই আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য হয়ে উঠেছে দুর্ভাগ্যের কারণ।
বর্তমান সময়ে লক্ষ্য করলেই দেখা যায় ছোট্ট শিশুদের দেবার মত সময় ব্যস্ত কর্মজীবি দম্পতির নেই। তাই শিশুকে ভুলিয়ে নিজেদের কাজে সুবিধা করার জন্য তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে সেলফোন বা ট্যাবলেট। যে বয়সে বাবা-মায়ের মুখে বিভিন্ন গল্প শোনে সময় কাটানো কথা, সে বয়সে আমরা তাদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছি কার্টুন দেখতে দিয়ে।
কার্টুন তো শিশুর অবশ্যই ভালো লাগার বিষয়। আর সেলফোন, ট্যাবলেট, টেলিভিশন ও কম্পিউটারের মত ডিভাইস গুলোও শিশুরা সব সময়ই উপভোগ করে। কিন্তু সেটারও একটা বয়স আছে, সময় আছে।
অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অনেক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। ডিভাইসগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহার একটি শিশুর সামাজিক দক্ষতা উন্নয়নে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, কাজের দায়িত্ব নেওয়া, ভালো আচরণ প্রদর্শন করা, মার্জিত ভাষা ব্যবহার, আবেগ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ, মৌখিক নির্দেশনা অনুসরণ এবং অন্যদের জন্য সহানুভূতি গড়ে তোলার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও একটি শিশু সামাজিক সংকেতে কম মনোযোগী ও কম সনাক্ত করতে পারে।
শিশুর ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে বেশি সময় ব্যয় করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ থেকেও বিছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। শুধু তাই নয় এটি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

আরও দেখুন

অ্যাপলের

অ্যাপলের সার্ভার হ্যাক করলো ১৬ বছরের কিশোর

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের এক কিশোর (১৬) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কম্পিউটার জায়ান্ট অ্যাপলের মেইনফ্রেইম সার্ভার হ্যাক …