হোম / কিশোর সমস্যা / কিশোর বয়সে চুল পড়া সমস্যা ও তার প্রতিকার
বয়সে

কিশোর বয়সে চুল পড়া সমস্যা ও তার প্রতিকার

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: কিশোর বয়সে চুল পড়া একটা সাধারণ সমস্যা। নারী-পুরুষ উভয়েরই চুল পড়ে। তবে মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়লে এবং বিষয়টি টাকের পর্যায়ে চলে গেলে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। কিশোর বয়সে চুল পড়ার জন্য বিভিন্ন কারণই দায়ী। এ সময় শরীরের হঠাৎ বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রয়োজন পড়ে বাড়তি পুষ্টির। তবে বেশীরভাগ পরিবারে পুষ্টিকর খাদ্য শুধু মাংসেই সীমাবদ্ধ। যে কারণে সুষম খাদ্যের অভাবে চুল পড়তে পারে। এছাড়াও হরমোনের পরিবর্তনও চুল পড়ার জন্য দায়ী।

বয়সেকারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতিযোগীতাপূর্ণ যুগে কিশোরীরা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকে। এবং তাদের মধ্যে অনিয়মটা খুবই বেশী দেখা যায়। এটিও চুল পড়ার অন্যতম কারণ। তাছাড়া এই বয়সে নিজেকে সুন্দর দেখানোর প্রবণতাও বাড়ে। অনেকেই চুল সুন্দর রাখতে হেয়ার আয়রণ মেশিন অতিরিক্ত ব্যবহার করে থাকে। এটিও চুলের স্বাস্থ্য নষ্ট করে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় এন্ড্রোজেনেটিক এলোপেশিয়া। এন্ড্রো মানে হলো হরমোন। আর জেনেটিক মানে হলো বংশগত। সুতরাং অনেক সময় হরমোনের কারণেই হয়ে থাকে। আর বংশগত কারণে হয়। যাদের টাক পড়ে, প্রায়ই দেখা যায়, তার বংশের কারো না কারো টাক আছে। মূলত হরমোন ও বংশগত কারণের জন্য চুল পড়ে।

কিভাবে চুল পড়া রোধ করবেন

  • খুব সহজেই চুল পড়া থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। চুল পড়া প্রতিহত করতে চুলের যত্ন নিতে হবে।
  • যেমন শ্যাম্পু করার কমপক্ষে ৬ ঘন্টা আগে হালকা গরম তেল চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করতে হবে।
  • তেল দেওয়ার সাথে সাথে শ্যাম্পু করা উচিৎ নয় এতে চুলের ক্ষতি হয়।
  • সবসময় খেয়াল রাখতে হবে কোন অবস্থাতেই যেন চুলের গোড়ায় খুশকি না জমে।
  • প্রাকৃতিকভাবে খুব সহজে খুশকির আক্রমন ঠেকানো সম্ভব।
  • হালকা গরম নারিকেল তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ভাল করে ম্যাসেজ করে খুশকির উপদ্রব কমানো সম্ভব।

আরও দেখুন

লিঙ্গ

দারিদ্র, লিঙ্গ বৈষম্য ও সংঘাতের হুমকিতে ১২০ কোটি শিশু

কিশোর বাংলা প্রতিবেদন: পৃথিবীর অর্ধেক শিশু সংঘাত, দারিদ্র ও লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *